জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি কার্ডে নাম, জন্ম তারিখ বা মা-বাবার নামে ভুল থাকা আমাদের জন্য একটি বড় সমস্যা। তবে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এনআইডি সংশোধনের প্রক্রিয়াকে অনেক বেশি সহজ ও ডিজিটাল করেছে। আজকের পোস্টে আমরা জানবো কীভাবে কোনো দালালের সাহায্য ছাড়াই আপনি নিজে নিজেই এনআইডি সংশোধন করতে পারবেন।
১. সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (Documents Needed):
ভুলের ধরন অনুযায়ী কাগজপত্রের তালিকা আলাদা হয়। যেমন:
- নাম সংশোধন: এসএসসি/এইচএসসি সার্টিফিকেট, পাসপোর্ট বা জন্ম নিবন্ধন।
- ঠিকানা পরিবর্তন: বিদ্যুৎ বিলের কপি বা নাগরিকত্ব সনদ।
- রক্তের গ্রুপ সংশোধন: প্যাথলজিক্যাল রিপোর্ট।
২. এনআইডি সংশোধন ফি ২০২৬ (Fee Structure):
| সংশোধনের ধরন | ফি (টাকা) | ভ্যাটসহ মোট |
| ব্যক্তিগত তথ্য (১ম বার) | ২০০ টাকা | ২৩০ টাকা |
| ঠিকানা বা অন্যান্য (১ম বার) | ১০০ টাকা | ১১৫ টাকা |
৩. ধাপ অনুযায়ী সংশোধনের নিয়ম (Step-by-Step Guide):
- ধাপ ১: services.nidw.gov.bd পোর্টালে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা।
- ধাপ ২: এনআইডি ওয়ালেট (NID Wallet) অ্যাপ দিয়ে ফেস ভেরিফিকেশন।
- ধাপ ৩: প্রোফাইলে গিয়ে 'Edit' অপশনে তথ্য পরিবর্তন।
- ধাপ ৪: রকেট, বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে ফি পরিশোধ।
- ধাপ ৫: প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের স্ক্যান কপি আপলোড এবং সাবমিট।
৪. কতদিন সময় লাগে? (Processing Time):
সাধারণত ক্যাটাগরি অনুযায়ী ১০ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এনআইডি সংশোধন হয়ে যায়। সংশোধন হয়ে গেলে মোবাইলে এসএমএস আসবে।
৫. সংশোধিত এনআইডি ডাউনলোড:
অনলাইনে আবেদন অনুমোদিত হলে আপনি আপনার প্রোফাইল থেকে সংশোধিত এনআইডি কার্ডের পিডিএফ ডাউনলোড করে ল্যামিনেটিং করে ব্যবহার করতে পারবেন।







0 Comments